কালবৈশাখীর সময় এসে গিয়েছে। যেকোনও সময় নেমে আসতে পারে প্রবল ঝড়ের সঙ্গে বৃষ্টি। আর তারসঙ্গে পাল্লা দিয়ে বজ্রবিদ্যুতের (Thunderstrom) ঘটনাও ঘটতে পারে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই সময়ে অত্যন্ত সাবধানে থাকা দরকার। মেঘ ডাকা, বিদ্যুৎ চমকানো, বাজ পড়ার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় কী করা উচিত আর কী করা উচিত নয়, সেগুলো জেনে রাখা খুবই জরুরি। নাহলে যেকোনও মুহূর্তে ঘটে যেতে পারে বিপদ। ঝড়-বৃষ্টি হলে, বাজ পড়লে যে কাজগুলো একেবারেই করা উচিত নয়- ১. বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, যখন ঝড়-বৃষ্টি হয় কিংবা বজ্রপাত হয়, তখন বেশ কিছু সাবধানতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। এই সময়ে একেবারেই স্নান করা উচিত নয়। কোনও কারণে বিদ্যুতের তার জলের মধ্যে পড়ে গেলে বিপদ ঘটে যেতে পারে। ২. এই সময়ে যতটা সম্ভব নিরাপদ জায়গায় থাকা প্রয়োজন। বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড়-বৃষ্টি হলে কংক্রিটের নিচে না বসাই ভালো। যেকোনও মুহূর্তে ভেঙে পড়ার আশঙ্কা থাকে। কোনও রকম সানশেডের নিচে বসা একেবারেই নিরাপদ নয়। ৩. এই সময়ে বাড়ির ল্যান্ডফোন ব্যবহার করা নিরাপদ নয় বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, এই সময়ে ল্যান্ডলাইনের পরিবর্তে মোবাইল ব্যবহার অনেক নিরাপদ। ৪. প্রবল মাত্রায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হলে কখনও খোলা জায়গায় দাঁড়াবেন না। মাঠের মধ্যে কিংবা বাড়ির ছাদে থাকা এই সময়ে বিপদের। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। ৫. অনেকেই এই সময়ে গাছের নিচে আশ্রয় নিয়ে থাকেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময় গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়া একেবারেই নিরাপদ নয়। যেকোনও মুহূর্তে গাছের ডাল ভেঙে পড়ে বিপদ ঘটতে পারে। অথবা গাছে বাজ পড়লে তা থেকেও বড় বিপদ ঘটে যেতে পারে। |
|
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস